
ভান্ডারিয়া, কাউখালি ও নেছারাবাদ এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত পিরোজপুর-২ আসন। একসময় আসনটিতে জাতীয় পার্টির (জেপি) নেতা আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর সীমাহীন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রভাব থাকায় দীর্ঘদিন এই আসনে বিএনপির কোনো শক্তিশালী প্রার্থী ছিল না। কিন্তু গতবছর ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের পরে ওই তিন উপজেলার মানুষ সৎ, যোগ্য ও শিক্ষিত একজন তরুণ প্রার্থীকে নিয়ে স্বপ্ন বুনছে। আর তিনি হলেন ভান্ডারিয়া উপজেলার ২ নং নদমুল্লা শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের চরখালি গ্রামের মরহুম ছিদ্দিকুর রহমান সিকদারের কনিষ্ঠ পুত্র এ্যাডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমান সিকদার। যিনি ইতোপূর্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা কলেজ শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্রফোরাম- কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম-ঢাকা বার ইউনিট এর সদস্য, জিয়া মঞ্চ-ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সদস্য হিসেবে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও তিনি নিজ এলাকা ও রাজধানীর বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক সংগঠনের সাথে জড়িত রয়েছেন।
ঝালকাঠি এনএস কামিল মাদরাসা, নেছারাবাদ থেকে দাখিল, চরমোনাই আহসানাবাদ রশিদিয়া কামিল মাদরাসা থেকে আলিম, দক্ষিণবঙ্গের অক্সফোর্ড খ্যাত বরিশাল বিএম কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বিএ (অনার্স), ঢাকা কলেজ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং রাজধানীর সেন্ট্রাল ল’ কলেজ থেকে এলএলবি এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করে বর্তমানে ঢাকা জজকোর্টে নিয়মিতভাবে আইনপেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।