স্বাধীনতা বিরোধিতাকারীদের বিচার করতে হবে ঃ এম এ জলিল

Uncategorized

স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও দেশের উন্নয়ন বিরোধীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি
…………. অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক

স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু ও দেশের উন্নয়নের যারা বিরোধী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশে আসার বিরোধীতাকারী ও গত ৫ দিন দেশে অরাজকতা ও জানমালের ক্ষতিসাধন কারীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ ৩১ মার্চ ২০২১ বিকাল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বর, ঢাকায়।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ সভাপতি এম.এ জলিল।

প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক রাষ্ট্রদূত অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, ন্যাপ-ভাসানীর চেয়ারম্যান এম.এ ভাসানী, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য মানিক লাল ঘোষ, বঙ্গবন্ধু শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সভাপতি মুশফিকুর রহমান মিন্টু, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, নারীনেত্রী এলিজা রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী, সহ সভাপতি সরকার মোহাম্মদ আলী বাদল, দপ্তর সম্পাদক কামাল আহমেদ।

অধ্যাপক ড. নিম চন্দ্র ভৌমিক বলেন, পাকিস্তানের শোষণ-শাসন, নির্যাতন-নিপীড়ন এবং মাতৃভাষা বাংলাকে রক্ষা ও রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে। এই যুদ্ধে ভারত বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন দিয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে একত্রিত হয়ে যুদ্ধ করেছে। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। সেই কারণে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী ও ভারতের জনগণের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ ও ঋণী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশে আসায় মোদীর বিরোধীতা করেছে যারা দেশে অরাজকতা করেছে, জানমালের ক্ষতিসাধন করেছে, স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের উন্নয়ন মেনে নেয় নাই, তারাই বাংলাদেশের শত্রু তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।

এম.এ জলিল বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিশে^র অনেক দেশই শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়নের পক্ষে কাজ করেছে। তাদের ভেতরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, জার্মানির প্রেসিডেন্ট, কানাডার প্রধানমন্ত্রী, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, ইতালির প্রধানমন্ত্রী শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন এবং বাংলাদেশে যারা এসেছিলেন তাদের ভেতরে অন্যতম ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নেপাল-ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপেরও সরকার প্রধানমন্ত্রীরা উপস্থিত হয়ে সুবর্ণ জয়ন্তীতে উপস্থিত হয়ে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানিয়েছেন। আজকের এই মানববন্ধনের মাধ্যমে তাদেরকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাই। সাথে সাথে বলতে চাই যেভাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধ করেছি সেই একই ভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে যারা স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী তাদেরকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *